আপনার ফেসবুক আইডি আপনার কাছে সবকিছু ।আপনার জীবনটাও জড়িয়ে আছে এখানে
।কিন্তু বদ হ্যাকাররা আপনার আবেগের মূল্য বুঝবে না । আর তাই আপনাকে ফেসবুক
ব্যবহারের সময় লক্ষ রাখতে হবে আপনার একাউন্ট যাতে নিরাপদে থাকে ।ফেসবুকে
নিরাপত্তার জন্য আজকে আমি অনেক কিছু আলোচনা করবো ।অনেক বড় একটি পোস্ট
।কিন্তু আপনার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য একটু ধৈর্য ধরে পড়ুন । আমি চেস্টা
করেছি মোটামুটি সবকিছু তুলে ধরার জন্য ।
১।আপনার ইমেইল আর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যাতে একই না হয় এদিকে খেয়াল রাখুন ।
২।ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটি যাতে অন্তত দশ ক্যারেকটারের হয় এদিকে খেয়াল রাখুন ।
৩।পাসওয়ার্ডে @!] সহ নানা ধরনের বিরাম চিন্হ ,স্পেস ,নাম্বার এবং সবচেয়ে ভালো হয় শেষে স্পেস ব্যবহার করলে।
৪।পাসে স্পেস ব্যবহার করলে সুবিধা হয় আপনি যদি ফিসিং এর শিকার হন তবুও আপনার প্রকৃত পাস হ্যাকার পাবে না ।
৫।ফিসিং হচ্ছে একটি হ্যাকিং এর সহজ পদ্ধতি ।আমার মত গর্দভও এটা পারে । এই সাইট গুলো চেনার উপায় হলো এটি দেখতে প্রায় ফেসবুকের লগিন পেজের মতো ।কিন্তু আপনি যখন ভালো করে খেয়াল করবেন তখন দেখবেন ফেসবুকের লগিন পেজের সাথে এর অনেক পার্থক্য রয়েছে । তাছাড়া ফেসবুক অথোরিটি ফিসিং ঠেকাতে কিছুদিন পরপর হোম পেজের পরিবর্তন আনে ।
৬।ফোন কোড ভেরিফিকেশন চালু রাখতে পারেন এতে হ্যাকারের বাপেরও সাধ্য নাই যে আপনার আইডিতে ঢোকে ।কিন্তু আপনার ঐ সিমটি যদি হারায় তবে আপনি ডুমড ।এছাড়া দেখা যায় যে অনেক সময় ভেরিফিকেশন মেসেজ আসে না ।তাই এটা আমি প্রেফার করি না ।
৭।ব্রাউজার ভেরিফিকেশন চালু রাখুন এবং রিমোট লগিন চালু রাখুন । রিমোট লগিনের সুবিধা আপনি এক জায়গা থেকে লগ আউট দিলে লগিন থাকা সব জায়গা থেকে লগ আউট হয়ে যাবে ।
৮।শর্টেন করা ইউআরএল ক্লিক করলেন ।এরপর যদি বলে ফেসবুকে লগিন করতে ,তাহলে করবেন না ।এটা ফিসিং এর অংশ ।
৯।বিশ্বস্ত এপলিকেশন ছাড়া আজে বাজে প্রলুব্ধ কারী এপলিকেশনের ধারে কাছেও যাবেন না । ১০।অন্যের ব্রাউজারে পাস সেভ রাখবেন না ।
১।আপনার ইমেইল আর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যাতে একই না হয় এদিকে খেয়াল রাখুন ।
২।ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটি যাতে অন্তত দশ ক্যারেকটারের হয় এদিকে খেয়াল রাখুন ।
৩।পাসওয়ার্ডে @!] সহ নানা ধরনের বিরাম চিন্হ ,স্পেস ,নাম্বার এবং সবচেয়ে ভালো হয় শেষে স্পেস ব্যবহার করলে।
৪।পাসে স্পেস ব্যবহার করলে সুবিধা হয় আপনি যদি ফিসিং এর শিকার হন তবুও আপনার প্রকৃত পাস হ্যাকার পাবে না ।
৫।ফিসিং হচ্ছে একটি হ্যাকিং এর সহজ পদ্ধতি ।আমার মত গর্দভও এটা পারে । এই সাইট গুলো চেনার উপায় হলো এটি দেখতে প্রায় ফেসবুকের লগিন পেজের মতো ।কিন্তু আপনি যখন ভালো করে খেয়াল করবেন তখন দেখবেন ফেসবুকের লগিন পেজের সাথে এর অনেক পার্থক্য রয়েছে । তাছাড়া ফেসবুক অথোরিটি ফিসিং ঠেকাতে কিছুদিন পরপর হোম পেজের পরিবর্তন আনে ।
৬।ফোন কোড ভেরিফিকেশন চালু রাখতে পারেন এতে হ্যাকারের বাপেরও সাধ্য নাই যে আপনার আইডিতে ঢোকে ।কিন্তু আপনার ঐ সিমটি যদি হারায় তবে আপনি ডুমড ।এছাড়া দেখা যায় যে অনেক সময় ভেরিফিকেশন মেসেজ আসে না ।তাই এটা আমি প্রেফার করি না ।
৭।ব্রাউজার ভেরিফিকেশন চালু রাখুন এবং রিমোট লগিন চালু রাখুন । রিমোট লগিনের সুবিধা আপনি এক জায়গা থেকে লগ আউট দিলে লগিন থাকা সব জায়গা থেকে লগ আউট হয়ে যাবে ।
৮।শর্টেন করা ইউআরএল ক্লিক করলেন ।এরপর যদি বলে ফেসবুকে লগিন করতে ,তাহলে করবেন না ।এটা ফিসিং এর অংশ ।
৯।বিশ্বস্ত এপলিকেশন ছাড়া আজে বাজে প্রলুব্ধ কারী এপলিকেশনের ধারে কাছেও যাবেন না । ১০।অন্যের ব্রাউজারে পাস সেভ রাখবেন না ।
nice post,tnx
উত্তরমুছুনখুব কাজের টপিক। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। ।আপনার এই পোস্ট অনেক উপকারে আসবে আমার বিশ্বাস । এর আগেও একটা নিউজ পেয়েছিলা এই নিউজ ও অনেক উপকারী। যার দরকার হবে দেখতে পারেন। তবে আপানার এটা বাশি ভাল হইছে তাই আবারো লেখককে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। তবে এরকম আরো একটি লেখা পড়েছিলাম এখানে> http://muktomoncho.com/archives/1078
উত্তরমুছুন